বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
আপডেট
বন্যার্তদের ১৫শ পরিবারকে ত্রাণ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; বিনামূল্যে বিজিবির চিকিৎসা পেল ৭০০সার পাচারের অভিযোগে মেহেরপুরর সার ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন কারাগারে গাংনীতে ঘুমন্ত তরুণীর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরারাজনগর যুব ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার আত্মপ্রকাশমেহেরপুরে বেতন  বৃদ্ধির দাবিতে ডাক বিভাগের কর্মচারীদের কর্মবিরতিগাংনীতে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম দেওয়ার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটিবিদেশ রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পে মতবিনিময় সভাগাংনীতে পুকুরে ডুবে মাদ্রাসা ছাত্রের করুণ মৃত্যুবন্যার্তদের ১৫শ পরিবারকে ত্রাণ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; বিনামূল্যে বিজিবির চিকিৎসা পেল ৭০০সার পাচারের অভিযোগে মেহেরপুরর সার ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন কারাগারে গাংনীতে ঘুমন্ত তরুণীর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরারাজনগর যুব ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার আত্মপ্রকাশমেহেরপুরে বেতন  বৃদ্ধির দাবিতে ডাক বিভাগের কর্মচারীদের কর্মবিরতিগাংনীতে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম দেওয়ার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটিবিদেশ রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পে মতবিনিময় সভাগাংনীতে পুকুরে ডুবে মাদ্রাসা ছাত্রের করুণ মৃত্যু
মেহেরপুর

মেহেরপুরে বেতন  বৃদ্ধির দাবিতে ডাক বিভাগের কর্মচারীদের কর্মবিরতি

মেহেরপুর প্রতিনিধি ।। 

চাকরি জাতীয়করণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন মেহেরপুর শাখা পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সারা দেশের ন্যায় মেহেরপুর জেলায়ও প্রধান ডাকঘরের সামনে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন জেলার ২৯টি শাখা পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে বিভিন্ন শাখা পোস্ট অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

কর্মবিরতি চলাকালে জেলা ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, মেহেরপুর জেলার ২৯টি শাখা পোস্ট অফিসে মোট ৭৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু তারা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে পরিবার চালানো অত্যন্ত কষ্টকর। আমাদের দাবি চাকরি জাতীয়করণ এবং বেতন কাঠামোর যৌক্তিক সংস্কার।

তিনি জানান, বর্তমানে একজন শাখা পোস্টমাস্টারের মাসিক বেতন ৪ হাজার ৪৬০ টাকা, পোস্টম্যানের ৪ হাজার ৩৫৪ টাকা, রানারের ৪ হাজার ২৭৭ টাকা এবং নৈশপ্রহরীর বেতন মাত্র ৪ হাজার টাকা। এ বেতন দিয়ে সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কাথুলি শাখা পোস্ট অফিসের এডি পোস্টমাস্টার বলেন, আমি ১৯৭৯ সাল থেকে এই পেশায় কর্মরত। চাকরিতে যোগদানের সময় আমার বেতন ছিল মাত্র ৭০ টাকা। দীর্ঘ ৪৭ বছর চাকরি করার পর আজ ২০২৬ সালে এসে আমার বেতন মাত্র ৪ হাজার ৪৬০ টাকা। এই বেতন দিয়ে বর্তমান সময়ে সংসার চালানো সম্ভব নয়।

জেলা ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা বলেন, যারা দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন, তারাও মাসে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা আয় করেন। অথচ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতে কাজ করেও আমরা সেই তুলনায় অনেক কম বেতন পাচ্ছি। তাই আমাদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া অন্যান্য কর্মচারীরাও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল থাকায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দ্রুত চাকরি জাতীয়করণ ও বেতন বৃদ্ধি না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

এই লেখক সম্পর্কে কোনো বিবরণ নেই।

সকল নিবন্ধ দেখুন →

সম্পর্কিত সংবাদ