মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫১ অপরাহ্ন
আপডেট
মুজিবনগরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুরুতর আহত-৩মেহেরপুরে মরহুম আবুল বয়াতির স্মরণে ঐতিহ্যবাহী জারিগান অনুষ্ঠিতসাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে জরুরী সভাগাংনী সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টায় বিএসএফের ব্যর্থমেহেরপুর পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমারকে বিদায় সংবর্ধনামেহেরপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের পা ভাঙার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধেমেহেরপুরে হেরোইন সেবনের দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মেহেরপুরে বিক্ষোভ মিছিলমুজিবনগরে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুরুতর আহত-৩মেহেরপুরে মরহুম আবুল বয়াতির স্মরণে ঐতিহ্যবাহী জারিগান অনুষ্ঠিতসাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে জরুরী সভাগাংনী সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টায় বিএসএফের ব্যর্থমেহেরপুর পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমারকে বিদায় সংবর্ধনামেহেরপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের পা ভাঙার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধেমেহেরপুরে হেরোইন সেবনের দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মেহেরপুরে বিক্ষোভ মিছিল
মেহেরপুর

‘গুপ্ত ও সুপ্ত সংগঠনগুলো বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করতে ভূমিকা রেখেছে: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

নাছিম হাসান মেহেরপুর প্রতিনিধি ।। :বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ দুটি সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি এবং ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তির ঐক্য অনেক পুরোনো। এই ঐক্যের ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে অজানা হলেও বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টি ভালোভাবে জানেন।আজ বৃহস্পতিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পৌর কমিউনিটি সেন্টারে মেহেরপুরে সাংগঠনিক সফর উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আজ যারা নিজেদের আশির দশকের ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন, তাদের সেই সময়ের ইতিহাসও আমাদের অজানা নয়। আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং একটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা বিনির্মাণের সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, অন্যদিকে শেখ হাসিনা আন্দোলন-সংগ্রাম করছিলেন। সেই সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের পেছনে কারা ছুরি চালিয়েছিল, সেটিও ইতিহাসের অংশ।তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে এরশাদের পাতানো নির্বাচনে কারা অংশ নিয়েছিল, সেই ইতিহাস সামনে আনলে ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ সংগঠনের ঐক্যের পুরোনো ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সময়েও সেই পুরোনো ঐক্য নতুন করে সক্রিয় হয়ে সাত মাস বয়সী একটি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পর পরিবর্তিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার একটি সুপরিকল্পিত অংশ। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘মনে রাখবেন, তাদের রাগ যতটা বিএনপির প্রতি, তার চাইতে বেশি রাগ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।’ তিনি অভিযোগ করেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার আদর্শ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাসী নয়, তারাই জনগণের ভোটাধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার রাজনীতি করেছে।তিনি বলেন, যদি তারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বিশ্বাস করত, তাহলে ২০১৪ সালের নির্বাচন আয়োজন করত না। পরবর্তী সময়ে দিনের ভোট রাতে করার যে অভিযোগ উঠেছিল, সেটিও তাদের রাজনৈতিক চর্চার অংশ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ভোটাধিকার থেকে দূরে রাখা।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্টরা ধারণা করেছিল বাংলাদেশের জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে বিএনপিকে ভোট দেবে। এ কারণেই তারা দীর্ঘদিন ভোটবিমুখী রাজনৈতিক চর্চা করেছে। কিন্তু যখন জনগণকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়নি, তখন ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।তিনি আরও বলেন, জনগণ এখন এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে। ইতোমধ্যে কথিত ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি দীর্ঘদিন টিকে থাকা সম্ভব নয়।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। জনগণের ওপর আস্থা রেখে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র বা বিভ্রান্তির মাধ্যমে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুল হাসান এর সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুর জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ আমজাদ হোসেন।এ ছাড়া জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এই লেখক সম্পর্কে কোনো বিবরণ নেই।

সকল নিবন্ধ দেখুন →

সম্পর্কিত সংবাদ